পুরো বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘অনেকেই হয়তো মনে করছে গত বছরের ৫ আগস্টের পর এই মামলা করা হয়েছে বা আমরা হয়তো এরপরে এসে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছি। তাদের উদ্দেশে বলতে চাই, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইন অনুযায়ী নির্বাচন হওয়ার পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে অভিযোগ করতে হয় এবং সেই ৩০ দিনের মধ্যেই মামলাটি করা হয়েছিল। পরবর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে এই মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার আইনি বিধান থাকলেও বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে এটিকে বাধাগ্রস্ত করা হয়। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী তাপস মামলা বাতিলের জন্য উচ্চ ও নিম্ন আদালতে চাপ প্রয়োগ করেন। উচ্চ আদালতে আবেদন করে মামলার শুনানি বন্ধ করে রাখেন।’
এই রায় আরও পাঁচ বছর আগে ১৮০ দিনের মধ্যে হওয়ার কথা ছিল বলেও জানান ইশরাক হোসেন।স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার আমলে রায় দেওয়া হয়নি অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘এখন আমি আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে রায়টি পেয়েছি। গতকালও বলেছি, এ বিষয়ে দলের সর্বোচ্চ ফোরাম সিদ্ধান্ত নেবে। সব দিক বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সে অনুযায়ী আমি আমার পরবর্তী পদক্ষেপ নেবো।’
সমালোচকদের উদ্দেশে ইশরাক বলেন, ‘তারা ফোকাস করছে বিএনপির প্রার্থী মেয়র পদে যাচ্ছেন। আমরা যে একটি আইনি উদাহরণ ও দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেলাম সেটার জন্য আমাদের ধন্যবাদ দেওয়া উচিত ছিল। আইনের শাসনের জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এটা আমাদের মূল উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য।’
ইশরাক বলেন, ‘আমি কিন্তু হারি নাই। আমাকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। অতএব সেটা কাগজে কলমে প্রতিষ্ঠা পাক, সেটাই ছিল আমাদের লক্ষ্য ছিল।’অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। আরও ছিলেন– দলের যুগ্ম মহাসচিব আবদুস সালাম আজাদ ও বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য কাজী রফিক ও মাহবুবুল ইসলাম।







