মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “সংস্কার ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। আমরা চাই, নির্বাচনের জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হোক এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার নিশ্চিত করা হোক।”তিনি জানান, জামায়াত সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনের পক্ষে এবং সংসদ কার্যকরের জন্য এটি প্রয়োজন বলে মনে করে। পাশাপাশি, প্রবাসী ভোটারদের ভোট দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করার দাবি জানানো হয় ইসিতে। এছাড়া সকলের অধিকারের স্বার্থে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনে কঠোর আইনবিধি বাতিল করা উচিত বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে জামায়াতের সেক্রেটারি বলেন, ‘৩০০ আসনে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া এবং প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে। তবে দলের নিবন্ধন নিয়ে আইনি জটিলতা রয়েছে, যা বর্তমানে আদালতে পেন্ডিং রয়েছে। আশাবাদী যে, ন্যায়বিচার পেয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ফিরে পাবো।’এ সময় জামায়াতে ইসলামী জাতিসংঘের সব ইমেইলের রেসপন্স করেছে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে বলে জানান মিয়া গোলাম পরওয়ার।
উল্লেখ্য, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তৎকালীন নির্বাচন কমিশন (ইসি) ২০১৮ সালের ২৮ অক্টোবর একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করে। ২০০৮ সালের ৪ নভেম্বর দলটি নিবন্ধন পেলেও ২০১৩ সালে হাইকোর্টের রায়ে সেটি অবৈধ ঘোষণা করা হয়।







