বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২২ অপরাহ্ন

আমাদের টিমওয়ার্কটা উদাহরণ হিসেবে থাকুক: মেহদী হাসান

নিউজ ডেস্ক :
আপডেট : রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

শুধু সমস্যার সমাধান নেওয়ার জন্যই নয় বরং অনেকেই স্বেচ্ছায় অন্যদের সাহায্য করতেও এগিয়ে এসেছেন জানিয়ে মেহদী বলেন, ‘আমরা সবাই তখন ছাত্র, কেউ কোনও স্বার্থের কারণে আসেনি। একসঙ্গে সফটওয়্যার বানানো, বাংলা ফন্ট তৈরি, সবকিছুতে নিজেদের নিযুক্ত করেছি। অনেকে এসেছেন, অনেকেই নানা কারণে সরে গেছেন, কিন্তু কিছু মানুষ ছিল যারা দশ বছরেরও বেশি সময় ধরে লেগে ছিল।’স্বার্থহীন দলগত প্রচেষ্টার কারণেই বহুবিধ চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও অভ্র এগিয়ে যেতে পেরেছে এবং এর সফলতার ইতিহাস গড়া সম্ভব হয়েছে বলে জানান মেহদী হাসান খান।
পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমি সবাইকে খুশি করতে পারবো না। কিন্তু দলের কাজের কৃতিত্ব একক ব্যক্তি না পাক, আমার সামর্থ্য দিয়ে এটুকু চেষ্টা করতে পারি। একুশে পদক ঘোষণার পরে অ্যাডভাইজার ফারুকী ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ হলো। ওনাকে ব্যাপারটা বোঝাতে খুব বেশি চেষ্টা করতে হয় নি, সেজন্য আমি কৃতজ্ঞ। ২০০৩ সাল থেকে অনেকে অভ্র কাজে সাহায্য করেছেন, এদের সবার অবদান আছে। কিন্তু শুরু থেকে একদম শেষ পর্যন্ত আমরা যারা একসঙ্গে কাজ করেছি— রিফাত, সিয়াম, শাবাব, এদের ছাড়া আমি অভ্র’র নামে একুশে পদক গ্রহণ করতে পারবো না। উনি মেনে নিয়েছেন, বাকিদেরও রাজি করিয়েছেন।’

এই স্বীকৃতি কেবল সফটওয়্যার নির্মাতাদের জন্যই নয় বরং দলগত প্রচেষ্টার মূল্যায়ন হিসেবেও বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন মেহদী হাসান খান।তিনি লেখেন, ‘পরের প্রজন্মের জন্য অভ্র’র মিশনটা যদি রেখে যেতে হয়, তাহলে আমাদের টিমওয়ার্কটাও উদাহরণ হিসেবে থাকুক। একা একা তো বেশিদূর যাওয়া যায় না।’বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলকেও এবার দলগতভাবে একুশে পদক দেওয়া হচ্ছে বিষয়টি ইতিবাচক বলে মনে করেন মেহদী হাসান খান। তিনি লেখেন, ‘এই দলগত স্বীকৃতি দেওয়ার সংস্কৃতি চালু থাকা উচিত।’


এই বিভাগের আরো খবর