এর বদলে তিনি ইউক্রেনের অন্যান্য ফ্রন্টলাইনে যুদ্ধ থামিয়ে দেবেন। যারমধ্যে খেরসন ও জাপোরিঝিয়াও থাকবে। এছাড়া ইউক্রেন বা ইউরোপের অন্য কোনো দেশে হামলা চালাবেন না বলেও কথা দেন তিনি।
পুতিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে ট্রাম্প যখন ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠকের আলোচনা সম্পর্কে অবহিত করা শুরু করেন তখন পুতিনের শর্তগুলো স্পষ্ট হতে থাকে।
ইউরোপীয় নেতারা জানিয়েছেন, যখন ইউক্রেনে যুদ্ধ বন্ধ হবে তখন দেশটিকে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ট্রাম্প। তবে কী ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দেওয়া হবে সেটি স্পষ্ট নয়।
ইউরোপীয়দের বক্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছে, ট্রাম্প-পুতিনের বৈঠক তাদের মধ্যে খুব বেশি আশার সঞ্চার করতে পারেনি।পুতিনের সঙ্গে বিস্তারিত কী আলোচনা হয়েছে সেটি গোপন রাখার ব্যাপারে জোর দিয়েছেন ট্রাম্প।