আর এই হামলার জন্য তারা কারণ দেখিয়েছে— সৌদি আরব উত্তেজনা বৃদ্ধির জন্য এবং তাদের ওপর হামলা চালানোর জন্য এসব জায়গায় সেনা ও যুদ্ধ সরঞ্জাম জড়ো করছে। কিন্তু হুতিরা এই অভিযোগের ব্যাপারে কোনো প্রমাণ হাজির করেনি।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, হুতিরা হামলা চালিয়েছে মারিব এবং হারদামাউতে। এ দুটি প্রদেশে ৩০ সেনার মৃত্যু হয়েছে। হারদামাউত ইয়েমেনের সবচেয়ে বড় প্রদেশ। যার পুরোটাই সৌদির সীমান্তের সঙ্গে লাগোয়া।
হুতিরা অস্ত্র ও গোলাবারুদ পায় ইরান থেকে। ১৯৯০ সালে তারা ছোট গ্রুপ থাকলেও বর্তমানে শক্তিশালী সশস্ত্র গোষ্ঠীতে পরিণত হয়েছে এবং ওই অঞ্চলে ইরানের সবচেয়ে বড় সমর্থকও তারা।
২০২২ সালে হুতি ও সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়। কিন্তু প্রথম থেকেই এটি ভঙ্গুর ছিল। সৌদি ওই সময় থেকেই হুতি নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে অর্থনৈতিক ও আকাশ অবরোধ আরোপ করে। যা গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ভাঙার চেষ্টা করছে হুতিরা।







