হেগসেথ বলেন, ‘‘আমরা বলেছিলাম, নিজেদের রক্ষা করব এবং আগ্রাসীভাবেই রক্ষা করব। আমরা ঠিক সেটিই করেছি। ইরান তা জানে। শেষ পর্যন্ত কোনও সংঘাতের মাত্রা বেড়ে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের পর্যায়ে পৌঁছাবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রেসিডেন্ট।’’
তিনি বলেন, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ এখনও পূর্ণ শক্তিতে কার্যকর রয়েছে। ইরানকে সরাসরি ‘আগ্রাসী’ আখ্যা দিয়ে হেগসেথ বলেন, ইরান বেসামরিক জাহাজগুলোকে হয়রানি করছে, নির্বিচারে সব দেশের নাবিকদের হুমকি দিচ্ছে এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথকে নিজস্ব আর্থিক স্বার্থে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে বা অন্তত করার চেষ্টা করছে।
‘‘এই আন্তর্জাতিক জলসীমা সব দেশের অধিকারভুক্ত; এটি কর আদায়, টোল নেওয়া বা নিয়ন্ত্রণের জন্য ইরানের একার কোনও জায়গা নয়।’’
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্যের শুরুতেই তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ সম্পর্কে কথা বলেন। তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পরিচালিত সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ থেকে এটি ‘সম্পূর্ণ আলাদা এবং স্বতন্ত্র’।
হেগসেথ বলেন, প্রজেক্ট ফ্রিডম মূলত আত্মরক্ষামূলক, এর পরিধি নির্দিষ্ট এবং স্থায়িত্ব সাময়িক। এর লক্ষ্য মাত্র একটি; ইরানি আগ্রাসন থেকে নিরীহ বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে রক্ষা করা। মার্কিন বাহিনীকে ইরানের জলসীমা বা আকাশসীমায় প্রবেশের প্রয়োজন নেই। এটি অপ্রয়োজনীয় এবং আমরা কোনও যুদ্ধ চাচ্ছি না।
সূত্র: রয়টার্স।







