
‘টুডে’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের ওজন কমানোর বিবরণ দিয়েছেন সেরিনা। তিনি বলেন, “আমি কিছুতেই পছন্দের শরীর পাচ্ছিলাম না। ওজন কিছুতেই কমছিল না। প্রচুর পরিশ্রম করছিলাম। পাগল পাগল লাগছিল। জীবনে কোনও দিন এমন হয়নি যে পছন্দের ওজনে ফিরতে পারছিলাম না।” তার পরেও শর্টকাট নেওয়ার কথা ভাবেননি সেরিনা। পরিশ্রম করেই ওজন কমাতে চেয়েছিলেন তিনি। সেরিনা বলেন, “আমি জীবনে কোনও দিন শর্টকাট নিইনি। পরিশ্রম করেছি। আমি জানি, কী ভাবে ওজন কমাতে হয়। কিন্তু সেটাই করতে পারছিলাম না। তাই হতাশ হয়ে পড়ছিলাম।”
সেরিনা কোনও দিনই তাঁর শারীরিক গঠন নিয়ে ভাবেননি। খেলোয়াড় জীবনেও রোগা হওয়ার চেষ্টা করেননি। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও চাপে পড়ে রোগা হওয়ার কথা ভাবেননি তিনি। তা হলে কেন ওজন কমানোর সিদ্ধান্ত নিলেন? সেরিনা বলেন, “আমি কোনও দিন ভাবিনি যে আমাকে অন্য কারও মতো শারীরিক গঠন করতে হবে। শরীর নিয়ে আমার কোনও সমস্যা ছিল না। ওজন বেশি থাকলেও আমার চলতে ফিরতে সমস্যা হত না। কিন্তু আদিরার জন্মের পর সমস্যা শুরু হল। হাত, পায়ের গাঁটে ব্যথা হত। অল্পে হাঁপিয়ে উঠছিলাম। তাই ঠিক করি ওজন কমাবো।”

পরের মাসে ৪৪ বছর বয়স হবে সেরিনার। যে বয়সে মহেন্দ্র সিংহ ধোনির মতো ফিট ক্রিকেটারকেও হাঁটুতে অস্ত্রোপচার করাতে হচ্ছে, সেই বয়সে এক ওষুধ খেয়েই নিজেকে ছিপছিপে করে ফেলছেন সেরিনা। ২৭ বছরের পেশাদার টেনিস কেরিয়ারে ৭৩টা ট্রফি জিতেছেন সেরিনা। তার মধ্যে ২৩টা গ্র্যান্ড স্ল্যাম। গোল্ডেন স্ল্যামের কীর্তি রয়েছে তাঁর। টানা ৩১৯ মাস মহিলাদের এক নম্বর তারকা থেকেছেন। কোর্টে শুধুমাত্র পাওয়ার টেনিস খেলে প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দিতেন সেরিনা। পয়েন্ট জেতার পর তাঁর হুঙ্কারে ভয় পেতেন প্রতিপক্ষ। এখনও সব সমালোচনা উড়িয়ে দিচ্ছেন তিনি। অবসরের পর সেরিনা ২.০-কে দেখতে পাচ্ছে টেনিসদুনিয়া।








