কুমড়ো পুষ্টিগুণে ভরা, কিন্তু তার বীজ? এত দিন সেই বীজের ঠাঁই হয়েছে আবর্জনায়। কেউ যদিও বা বীজ যত্নে রেখেছেন, তার উদ্দেশ্য আলাদা। শুকনো বীজ মাটিতে ছড়ালেই গাছ বেরোবে।
কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ
খাদ্য-গবেষকেরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত কুমড়োবীজের তেল খেলে এইচডিএল বা ভাল কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ে। খারাপ কোলেস্টেরলের কারণে যেমন ধমনীতে প্লাক জমে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে, ভাল কোলেস্টেরল তেমন হার্টকে সুরক্ষা দেয়। ভাল কোলেস্টেরল এলডিএল-এর জমাট বাঁধার প্রবণতা দূর করে। কুমড়োর বীজে থাকা উপদান ভাল কোলেস্টেরলের মাত্রাই বৃদ্ধিতে সহায়ক।
হার্টের ছন্দ ঠিক রাখে
কুমড়োবীজে থাকে ম্যাগনেশিয়াম। হৃৎস্পন্দনের গতি ঠিক রাখার জন্য, সামগ্রিক ভাবে স্বাস্থ্য ভাল রাখতে ম্যাগনেশিয়াম খুব জরুরি উপাদান। হাইপারটেনশন কমাতে, রক্তবাহী নালিকার স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে খনিজটি সহায়ক।
সুরক্ষা দেয়
শরীরের নিজস্ব কাজকর্মের ফলে তৈরি হওয়া ফ্রি র্যাডিক্যাল কোষের ক্ষতি করে। কুমড়ো বীজে যথেষ্ট পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট মেলে। অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ফ্রি র্যাডিক্যালের ফলে হওয়া অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। হার্টের সুরক্ষায় যা খুব জরুরি।
বিপাকহার
কুমড়োর বীজে থাকা জ়িঙ্ক বিপাকহারের মাত্রা ঠিক রাখতে, হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। হরমোন বিগড়ে গেলে তার প্রভাব পড়তে পারে হার্টেও।
তবে পুষ্টিবিদ বা চিকিৎসকেরা মনে করান, কোনও খাবার উপকারী বলেই তা যথেচ্ছ খাওয়া যায় না। তা ছাড়া শরীর ভেদে নির্ভর করে দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় তা রাখা যাবে কি না। শুধু কুমড়ো বীজ হার্ট ভাল রাখতে পারে না। বরং, হার্ট ভাল রাখতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন যে জরুরি, তা ভুললে চলবে না।