কৃষি সচিব বলেন, কৃষির ১৭টি সংস্থা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের জন্যও ২৫ বছরের পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে। এই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় স্বল্প মেয়াদি ৫ বছরে বেশ কিছু প্রকল্পও রাখা হবে। তবে এগুলো বিস্তারিত যাচাই-বাছাই এবং গবেষণা করেই নেওয়া হবে। আমরা এমনভাবে পরিকল্পনা নিচ্ছি যাতে করে সারের খরচ বছরে দুই থেকে তিন হাজার কোটি টাকার সাশ্রয় হয়।
ড. মিয়ান বলেন, কৃষি যান্ত্রিকীকরণে বিদেশ নির্ভরতা কমাতে ব্রি গবেষণা, উদ্ভাবন, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও উৎপাদন শিল্পকে এক প্ল্যাটফর্মে এনে সমন্বিত ইকোসিস্টেম গড়ে তুলছে। কৃষি যান্ত্রিকীকরণের ধারায় ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। শ্রীলঙ্কা ও জাপানসহ বিভিন্ন দেশের প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় স্থানীয়ভাবে মানসম্পন্ন কৃষিযন্ত্র উৎপাদন এখন বাস্তবে রূপ নিচ্ছে, যা দেশের কৃষিতে সময় সাশ্রয়, ব্যয় হ্রাস ও নতুন শিল্প তৈরিতে বড় ভূমিকা রাখবে।
এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান, পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা দুরুল হুদা।