ক্যাম্পাসে দলীয় ব্যানারে রাজনীতির যতোগুলো উপসর্গ যখনই পাবো শিক্ষকদের তখনই বিরোধিতা করবো।
শিক্ষক রাজনীতি শিক্ষার মাথা খেয়ে একেকজনকে পলিটিকাল দালাল বানাইয়া রাখছে।’
এর আগে বেলা ১১টার দিকে এক ফেসবুক পোস্টে সালাহউদ্দিন আম্মার লেখেন, ‘জিয়া পরিষদের জনৈক সভাপতির ব্যানার দেখলাম। আমি আগেই লিখেছি এনারা পার্ট টাইম শিক্ষক, ফুল টাইম পলিটিশিয়ান, শিক্ষাপন্থি একটাও না। আমি ক্যাম্পাসের সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে অধ্যাদেশ অনুযায়ী দলীয় প্রচার চালাতে দেবো না, তাই বেলা ২টার মধ্যে এই ব্যানার তুলে নিবেন জিয়া পরিষদ। না হলে ব্যানার আমি তুলে ফেলে দেবো। এর বিরুদ্ধে যদি আপনারা অবস্থান নিতে চান সেটার জন্যও আপনাদের স্বাগতম।’
এছাড়া জামায়াতে ইসলামীকেও উদ্দেশ্য করে আম্মার বলেন, ‘অন্য আরেকটি দল জামায়াতে ইসলামীর জন্যও একই বার্তা, তবে তারা ক্যাম্পাসে দলীয় ব্যানারে এখন পর্যন্ত একটা বিবৃতিও দেয়নি, মিছিল মিটিং করেনি, এমনকি তাদের দলীয় পরিচয় এই ক্যাম্পাসে আমি পাইনি এখনো। আপনারা যে কোনো দল করেন, রাজনীতি করেন তবে সেটা ক্যাম্পাসের বাইরে। আর শিক্ষার্থীরা ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ চান, কিন্তু এর নেপথ্যে থাকে ভয়াবহ শিক্ষক রাজনীতি, তাই এই শিক্ষক রাজনীতি নিয়ে সবার আগে সোচ্চার হোন। ’
উল্লেখ্য, এর আগে তারেক রহমানকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নির্বাচিত করায় রাজশাহী জেলা জিয়া পরিষদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে ক্যাম্পাসে ব্যানার টাঙান জিয়া পরিষদ রাজশাহী জেলার সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন তালুকদার।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জিয়া পরিষদ রাজশাহী জেলার সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন তালুকদার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জাতির ক্রান্তিলগ্নে সব সময় এগিয়ে এসেছে। ১৯৭৩ এর অধ্যাদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি করার অধিকার দিয়েছে। আমাদের অধিকার আছে রাজনীতি করার।
ব্যানার স্থাপনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমরা সবাই শোকাহত। উনি মারা যাওয়ার পর তারেক রহমানকে সেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আর তাকে অভিনন্দন জানিয়ে একটা ব্যানার টাঙানো হয়েছে–এতে কী এমন ক্ষতি হয়েছে?