ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির হত্যার বিচারের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে আয়োজিত সমাবেশে সংহতি জানাতে এসে বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াও উপস্থিত ছিলেন।
‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা শুধু আওয়ামী লীগকে বিতাড়িত করিনি, বরং দেশে বিদ্যমান ভারতীয় এস্টাবলিশমেন্টের বিরুদ্ধেও জনগণ স্পষ্ট রায় দিয়েছে।’ তিনি এই আন্দোলনকে একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আন্দোলন হিসেবে অভিহিত করেন।
আন্দোলনকারীদের দায়িত্বশীল থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে চলবে। তবে, আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা বা গুলি চালানো হলে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।’
তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘আন্দোলনের ভেতরের ক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে নানা ধরনের নাশকতার (স্যাবটেজ) চেষ্টা হতে পারে। তাই জাতিকে বিভক্ত না করে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর পদত্যাগ দাবি করেন। এ সময় দফায় দফায় স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে শাহবাগ এলাকা। সমাবেশে ডাকসুর সাবেক ও বর্তমান ছাত্রনেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
একই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পৃথক বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণা দেয় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। সম্ভাব্য উত্তেজনা বিবেচনায় শাহবাগ ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে।