ধোবাউড়া উপজেলার বাঘবেড় ইউনিয়নে ডোমগাটা গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে সাইফুল্লাহ। গ্রামের বাড়িতে মা–বাবা, বড় ভাই জয়নাল আবেদীন ও সাইফুল্লাহর নিজের স্ত্রী ও দুই ছেলে-মেয়ে বাস করতেন।
৮ মার্চ রাতে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) একজন শিক্ষার্থীকে মারধর করার অভিযোগ ওঠে। মারধরের পর তাকে শাহবাগ থানায় রেখে আসা হয়। ওই সময় তাকে নিয়ে একটি ফেসবুক পোস্ট দেন ছাত্রশক্তির নেতা সাইফুল্লাহ। পোস্টে তিনি বলেন, ‘ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ ধরেছি। শাহবাগ থানায় নিয়ে যাচ্ছি। লীগ প্রশ্নে কোনও ছাড় দেওয়া হবে না।’ পরবর্তী সময়ে তিনি এই ফেসবুক পোস্টটি তার আইডি থেকে ডিলিট করে ফেলেন।
এদিকে জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতার গ্রামের বাড়িতে আগুন লাগার ঘটনায় শুক্রবার সকালে জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন জেলা শাখার সাবেক সদস্যসচিব আলী হোসেন ও জাতীয় বিপ্লবী মঞ্চের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াসসহ পাঁচ সদস্যের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়।
ধোবাউড়া থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ছাত্রনেতার ভাই জয়নাল আবেদীনের বক্তব্য অনুযায়ী লাকড়ির একটি ঘরে আগুন লেগেছে। এ ছাড়া বসতঘরের টিনের বেড়ায় তিনটি কোপের দাগ দেখেছি এবং টিন কেটে গেছে। তারা নিজেরাই আগুন নিভিয়ে ফেলেন। এ ঘটনা নিয়ে আমরা তদন্ত করছি। স্লোগান দিয়ে এসে এ ঘটনা ঘটানো হয় বলে জয়নাল দাবি করেছেন। আমরা প্রাথমিকভাবে সেই সাক্ষী পাইনি।’







