প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে দায়িত্ব পালনকারী সেনাবাহিনীর একটি দল সাময়িকভাবে ছাত্রী হোস্টেল ভবনে অবস্থান নেয়। সে সময় হোস্টেলে কোনো শিক্ষার্থী ছিলেন না। ভবনের বাথরুম পরিষ্কার করতে গিয়ে সেনা সদস্যরা কিছু কনডমের প্যাকেট পান বলে কলেজের বর্তমান ও সাবেক কয়েকজন শিক্ষার্থী দাবি করেন। মঙ্গলবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকজন শিক্ষার্থী সেখানে অনৈতিক কার্যক্রমের ইঙ্গিত দেন।
পরে বুধবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) তাপস শীল কলেজে গিয়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে ছাত্রী হোস্টেলের সুপার মুজিবুর রহমান এবং ইতিহাস বিভাগের প্রধান পঙ্কজ বর্মণকে অতিরিক্ত দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
এ ব্যাপারে জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুশফিকীন নূর ঢাকা পোস্টকে জানান, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের পর গতকাল বিকেলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এসেছিলেন। তিনি শিক্ষার্থী ও কলেজ কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছেন। দুইজন শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদেরকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। তাদের দাবি- শুধু দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নয়, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।