সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ১০:৪১ অপরাহ্ন

জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্টের রুল

নিউজ ডেস্ক
আপডেট : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬

জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। মামলার বিবাদীদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।এ সংক্রান্ত রিটের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম শাহীনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও সৈয়দ মামুন মাহবুব, ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, গাজী কামরুল ইসলাম প্রমুখ। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন ও জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক।

গত সপ্তাহে জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ এবং এর আলোকে সংবিধান সংস্কার পরিষদ সদস্যের শপথের জন্য গত ১৬ ফেব্রুয়ারি দেওয়া চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী গাজী মো. মাহবুব আলম অপর একটি রিট করেন।

রেদোয়ান-ই-খোদার করা রিট আবেদনে, জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ এবং গণভোট অধ্যাদেশের ৩ ধারা ও তফসিল সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, এ বিষয়ে রুল জারির আরজি জানানো হয়। রুল হলে তা বিচারাধীন অবস্থায় গণভোট অধ্যাদেশের ৩ ধারা ও তফসিলের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশনা চাওয়া হয়।

এছাড়া মাহবুব আলমের রিটে বলা হয়, জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ এবং এর আলোকে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথের জন্য ১৬ ফেব্রুয়ারির চিঠি সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় কেন বাতিল ঘোষণা করা হবে না, সে বিষয়ে রুল চাওয়া হয়। রুল হলে তা বিচারাধীন অবস্থায় জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ এবং এর আলোকে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যের শপথের ১৬ ফেব্রুয়ারির চিঠির কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে নির্দেশনা চাওয়া হয়।


এই বিভাগের আরো খবর