এ ঘটনাকে ঘিরে নহাটা ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গন ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। দীর্ঘদিন পর চেয়ারম্যানকে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে দেখা যাওয়ায় কেউ বিষয়টিকে স্বাভাবিক দায়িত্বে ফেরা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ এ নিয়ে প্রশ্নও তুলছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট মহম্মদপুর উপজেলা সদরে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও পুলিশের সঙ্গে ছাত্র-জনতার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই সংঘর্ষে পুলিশের গুলিতে আহাদ ও সুমন নামে দুই ছাত্র নিহত হন। পরে এ ঘটনায় একটি মামলা হলে তাতে নহাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তৈয়েবুর রহমান তুরাপকে আসামি করা হয়। মামলার পর তিনি দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন। একপর্যায়ে তার চেয়ারম্যান পদ স্থগিত করা হয়।
হাইকোর্টের ওই আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন মাগুরা জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এ-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় আদেশ জারি করেন। এরপর থেকে তৈয়েবুর রহমান তুরাপ নিজ বাড়িতে অবস্থান করে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাওয়ার পরও ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে নিয়মিত বসেননি তিনি।
অবশেষে সোমবার সকালে প্রায় দুই বছর পর নহাটা ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে গিয়ে চেয়ারম্যানের নির্ধারিত কক্ষে বসেন তুরাপ। এ সময় তিনি পরিষদের দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন বলে জানা গেছে।
ইউপি চেয়ারম্যান মো. তৈয়েবুর রহমান তুরাপ বলেন, হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী আমি পুনরায় নহাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। দীর্ঘদিন পর আজ ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে অফিস করেছি। এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হইনি। নির্বিঘ্নেই দায়িত্ব পালন করছি।
তিনি আরও বলেন, আইন অনুযায়ী এবং হাইকোর্টের নির্দেশনা মেনেই আমি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছি।
দীর্ঘ সময় ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের বাইরে থাকার পর চেয়ারম্যানের এভাবে প্রকাশ্যে কার্যালয়ে ফিরে আসাকে কেন্দ্র করে নহাটা ইউনিয়নের স্থানীয় রাজনীতিতেও নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।







