তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক তৎপরতা স্থগিত থাকলেও তারা নামে-বেনামে সক্রিয় রয়েছে এবং ১৪ দলের শরিকদের অপতৎপরতাও অব্যাহত আছে। এ সব কার্যক্রমের মাধ্যমে তারা দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির পাশাপাশি নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে।
নজরুল ইসলাম বলেন, জাতীয় পার্টির নেতারা বিভিন্ন টকশোতে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছে। সাইনবোর্ড পাল্টে স্বৈরাচারের দোসর এ সব সন্ত্রাসীরা বড় রাজনৈতিক দলের আশ্রয়ে ছিনতাই, মাদক কারবার, ধর্ষণ, চুরি-ডাকাতি ও খুন-খারাবিসহ নানা গ্যাং কালচার তৈরি করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাচ্ছে। এতে চট্টগ্রামের বাকলিয়া এক্সেস রোড, চালিতাতলি, জেলা পরিষদ মার্কেটের আশপাশসহ বিভিন্ন এলাকায় হত্যাকাণ্ড ও অস্ত্র মহড়ায় মানুষ আতঙ্কিত। ঢাকা ও খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে খুন-খারাবিও চলছে।
বৈঠকে বক্তব্য রাখেন, ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাইমুনুল ইসলাম মামুন, চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ উল্লাহ ও ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস, সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম ফজলুল হক, ডা. সিদ্দিকুর রহমান এবং এস এম লুৎফর রহমান।