মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর ডাকে যুদ্ধ করে আমরা স্বাধীন দেশ পেয়েছি। এখন ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশকে রক্ষা করাই আমাদের মুল উদ্দেশ্য। সোমবার সন্ধ্যায় নগরীর ১৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি আয়োজিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন । তিনি আরো বলেন, আমাদের প্রাণপ্রিয় বাংলাদেশ এর মূর্ত প্রতীক, প্রতিচ্ছায়া, আমার মা, সেই মায়ের প্রতিচ্ছায়া দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি যখন হাসেন তখন মনে হয় যেন বাংলাদেশ সুখে আছে, সমৃদ্ধ ও উন্নয়নের মধ্যে আছে। তিনি যখন কষ্ট পান, তখন আমরা সবাই আমাদের জীবন উৎসর্গ করে রাজপথে নামি। গত দীর্ঘ ১৭ বছর আন্দোলন সংগ্রামে জনগনের সাথেই ছিলেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গত স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে মাঠে ছিলেন আপোষহীনভাবে। সেই সময় আরেকজন নেত্রী তিনি কিন্ত এরশাদের সঙ্গে লং ড্রাইভে গিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বিশ্বাস ঘাতকতা করেছিলেন। অপরদিকে বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য মাঠে ছিলেন। তিনি কখনও দেশ ছেড়ে বিদেশের মাটিতে যাননি। দেশের জনগণের জন্য তিনি দেশেই ছিলেন। দেশের মানুষকে বিপদে ফেলে পালিয়ে যাননি। সেজন্য তাকে বলা হয় আপোষহীন দেশনেত্রী। তিনি চাইলেই স্বৈচারের সাথে হালকা লিয়াজো করে আরো ৭/৮ বছর আগেই বিদেশে চিকিৎসা নিতে পারতেন। তিনি নিজের জীবন বিপন্ন করে আন্দোলনে ছিলেন।
এখন তার চিকিৎসা চলছে। কিন্ত আমরা বুঝি সঠিক সময়ে চিকিৎসা না করলে কি হয়। দেশ মাতৃকা ও জনগণের জন্য কখনও তিনি স্বৈচারের সাথে আপোষ করেননি। সেই দেশনেত্রীর রোগমুক্তি কামনা করে দোয়া মাহফিল। আমরা তার সুস্থতা কামনা করছি। দেশনেত্রীর ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। মিনু আরো বলেন, প্রিয় ভাইয়েরা দেশ আজ কঠিন বিপদগ্রস্থের মধ্যে দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে দেশ চলছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে আজ গোটা জাতি দেশকে রক্ষা করার জন্য সজাগ আছে। সবার আগে আমাদের মা আমাদের দেশ বাংলাদেশ। আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থেকে দেশকে রক্ষা করবো। এই অর্ন্তবর্তী সরকারের আওতায় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যারা ভালোভাবে দেশ পরিচালনা করতে পারবে, সৎ, পরিশ্রমী ও জনগনের সাথে সাথে যারা থাকতে পারবে জনগনকে যাদেরকে ভালোভাসে তারাই নির্বাচিত হবে। তিনি আরো বলেন, আমি পূর্বেও আপনাদের সাথে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকবো। জনগনের সাথে ও পাশে থাকবো। এই এলাকার উন্নয়নে কাজ করবো।
১৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম কালুর সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রবি, রাজশাহী মহানগর যুবদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক এস এম সুলতান আলী, শাহমখদুম থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন, শাহমখদুম থানা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল মাসুদ, সাবেক কাউন্সিলর টুটুল, ১৪ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি উজ্জল আলী, বিএনপি নেতা সইদুল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা শরিফুল ইসলাম পরাগসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। পরে দেশনেত্রীর সুস্থতা কামনায় ও আরাফাত রহমান কোকোর রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।
এদিকে, দীর্ঘদিন পর মিনুকে কাছে পেয়ে তাকে একনজর দেখতে ভিড় করেন বিএনপির নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ। তাকে কাছে পেয়ে উচ্ছাস প্রকাশ করেন নেতাকর্মীরা।