সরেজমিন দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকা, চারুকলা, রমনা কালী মন্দির, কলাভবন এলাকায় ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। শিশুদের হাতে চরকা, অনেকেই উঠছেন নাগরদোলায়, অনেকেই ঘুরে দেখছেন আশপাশ। অনেকেই আবার তীব্র রোদে গাছের ছায়ায় বসে গল্প জমাচ্ছেন প্রিয় মানুষ কিংবা পরিবারের সঙ্গে।
আরাফাত বলেন, ‘এবার ক্যাম্পাসের আশেপাশে কয়েক জায়গায় মেলা বসেছে। এখানে এসে নাগরদোলায় চড়লাম। চারুকলায় অনেক মানুষ থাকায় সেখানে নাগরদোলায় ওঠার সুযোগ পাচ্ছিলাম না। পহেলা বৈশাখের এমন আনন্দ অব্যাহত থাকুক। বাঙালি সংস্কৃতির ধারক ও বাহক বলতে গেলে একমাত্র অনুষ্ঠান এই পহেলা বৈশাখ।’
টিএসসিতে কথা হয় শাহজাহান রেজা ও তানিয়া দম্পতির সঙ্গে। ৫ বছরের ছেলে রিসালাতকে নিয়ে তারা আনন্দ শোভাযাত্রা শেষ করে মেলা উপভোগ করছেন। তীব্র রোদ ম্লান তাদের আনন্দের কাছে। শাহজাহান বলেন, ‘আমি পেশায় একজন শিক্ষক। সংস্কৃতিমনা হওয়ায় আমরা প্রতিবছরই নববর্ষ উদযাপন করি। যেখানেই থাকি সেখানেই আনন্দে শামিল হই। এবার নববর্ষ দ্বিগুণ আনন্দময়। আমরা এক স্বৈরাচারকে পতন ঘটিয়ে নতুন বাংলাদেশে প্রাণ ভরে নিশ্বাস নিচ্ছি।’









