নারী অ-১৭ দলে কোচিং স্টাফ হিসেবে রয়েছেন মাহবুবুর রহমান লিটু, অনন্যা, মিরোনা ও ইমন। সাইফুল বারী টিটু কোচিংয়ের ধরন অনুশীলনের মধ্যেই অধস্তনদের ভুল ধরিয়ে দেওয়া, তাও আবার ফুটবলারদের সামনে। নারী দলেও কোচিং স্টাফদের ক্রমাগত ভুল ধরতেন বলে সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে জানা গেছে। এতে কোচিং স্টাফের অনেকের ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হয়। একদিন টিটুর সঙ্গে মিরোনার দূরত্ব বাজেভাবে প্রকাশ পায়। ফুটবলারদের সামনে মিরোনা বাঁশি ছুড়ে ফেলে অনুশীলন মাঠ ত্যাগ করেন। এতে বেশ বিব্রত হন টিটু। এর পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার মিরোনাকে শোকজ করেন।
বাফুফের নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ জানিয়েছেন, ‘মিরোনার শোকজের বিষয়টি অবগত। তার জবাবের প্রেক্ষিতে পুরো ঘটনা বিশ্লেষণ করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’ মিরোনা সাবেক জাতীয় ফুটবলার ও বাফুফেতে কোচ হিসেবে রয়েছেন বেশ কয়েক বছর। অনুশীলনে ফুটবলারদের সামনে হেড কোচের প্রতি এমন আচরণ পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আবার অনেকের মতে, ক্রমাগত অপমানিত হওয়ার দরুন মিরোনা অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ করতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি অবশ্য ওই ঘটনায় কোনো মন্তব্য করতে চাননি, শুধু চিঠির উত্তর দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। আর সাইফুল বারী টিটু এ নিয়ে কোনো কিছু বলেননি।
ফুটবল ফেডারেশনের বেতনভুক্ত কোচদের মাসের ১ তারিখে কে কোথায় কাজ করছেন, তা জানাতে হয়। কোচরা কে কোথায় এটা টেকনিক্যাল ডিরেক্টর টিটু ও কোচিং এডুকেটর মাহবুব আলম পলোর ভালো করেই জানা। এরপরও এই তালিকা দেরিতে জমা হওয়ার অজুহাতে কোচরা মাঝেমধ্যে বেতন পান দেরিতে। স্বল্প বেতন পাওয়া কোচরা জুলাই মাসের বেতন গত পাঁচ দিন আগে পেলেও কয়েক লাখ টাকা বেতনধারী টেকনিক্যাল ডিরেক্টর অবশ্য পেয়েছেন সময়মতোই।
টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হিসেবে তার কোচিং কোর্সের ম্যাটিরিয়ালস মান ও আধুনিকতা নিয়েও প্রশ্ন আছে। ফুটবলে আগ্রহী অনেকেই কোচ হতে কোর্স করতে আসেন। তাদের অনেকেই টিটুর আচরণে হেয় হওয়ার অনুযোগ প্রায়ই পেয়ে থাকেন টেকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যান কামরুল হাসান হিলটন।







