তিনি বলেন, “দেশে তেলের পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও হঠাৎ চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পাম্পগুলোতে সাময়িক চাপ তৈরি হয়েছে।” দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “অপ্রয়োজনীয়ভাবে তেল সংগ্রহ না করলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে এবং সবাই তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী তেল পাবেন।”
ঈদযাত্রার উদাহরণ টেনে মন্ত্রী বলেন, “ঈদের সময় লাখো মানুষ বাড়ি গেছেন। কোথাও কি তেলের অভাবে বাস চলাচল বন্ধ হয়েছে? ঈদ নির্বিঘ্নে কেটেছে। তাই বোঝা যায়, প্রকৃত সংকট নেই। মানুষের আচরণই এ পরিস্থিতি তৈরি করছে।”
মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ নিজস্ব উৎপাদনের ওপর নির্ভরশীল নয়। অধিকাংশ জ্বালানি আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রভাব বাজারে পড়তে পারে, তাই সবাইকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানান।
তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেন, “মূল্য নির্ধারণের দায়িত্ব বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের। সরকার এখনও কোনও দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেয়নি।”







