নেতানিয়াহু যখন এই খায়েশ প্রকাশ করলেন তখন গাজার উত্তর ও দক্ষিণে ব্যাপক স্থল অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েল। স্থল অভিযান শুরু হলো এমন এক সময়ে, যখন কাতারে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে পরোক্ষ শান্তি আলোচনা কার্যত ফলপ্রসূ হয়নি বলে দুই পক্ষের সূত্র জানিয়েছে।
সরকারের অভ্যন্তরে নানাবিধ চাপের মধ্যে এসব কথা বললেন নেতানিয়াহু। যুদ্ধ-পরিচালনা পদ্ধতি, গাজায় খাদ্য সহায়তা পুনর্বহালে নিরাপত্তা ক্যাবিনেটে ভোট গ্রহণে আপত্তিসহ বিভিন্ন কারণে সরকারের কট্টরপন্থিদের রোষানলে আছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী।
গাজায় যুদ্ধচলাকালীন সীমিত পরিসরে ত্রাণ সহায়তা গাজায় প্রবেশ করতে দিচ্ছিল ইসরায়েল। তবে, হামাসের বিরুদ্ধে খাদ্য লুটের অভিযোগ এনে গাজায় মার্চ থেকে অবরোধ দিয়ে রেখেছে তারা। পরিস্থিতি এতটাই নাজুক হয়ে গেছে যে বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, দ্রুত খাদ্য সমস্যার সমাধান না হলে গাজায় দুর্ভিক্ষ দেখা দিতে পারে।
গাজায় খাদ্য সহায়তা পুনর্বহালের কারণ ব্যাখ্যা করে নেতানিয়াহু বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ একাধিক রিপাবলিকান নেতা গাজায় মানবিক বিপর্যয়ের বিষয়ে তাকে সতর্ক করেছেন। তিনি বলেন, ইসরায়েলের কড়া সমর্থকরাও বলেছেন, তারা আমাদের অস্ত্র দেবে, হামাসকে পরাস্ত করতে সব রকম সহায়তাও করবে। তবে ব্যাপক খাদ্য সংকটে তারা আমাদের পাশে থাকবে না।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সেনাবাহিনীর সহায়তায় আমরা নিয়ন্ত্রিত একটি এলাকা স্থাপনের চেষ্টা করছি, যেখান থেকে গাজাবাসী নিরাপদে খাদ্য এবং ওষুধ সংগ্রহ করতে পারবে। হামাসের যেন খাদ্য লুটের সুযোগ না পায়, সেটা বিবেচনায় নিয়েই পুরো ব্যবস্থাটি পরিচালনা করা হবে।







