ইরানি এই জেনারেল ‘‘পূর্ণাঙ্গ বিজয়’’ বলতে ঠিক কী বোঝাতে চেয়েছেন, তা স্পষ্ট করেননি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য যেকোনও আলোচনায় কোনও ধরনের ছাড় দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করতেই ইরানি সামরিক বাহিনীর অবস্থানের বিষয়ে তিনি ধারণা দিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।
ইরানি সংবাদমাধ্যম বলছে, মঙ্গলবার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের দুটি গ্যাস স্থাপনা এবং একটি পাইপলাইন আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে হামলার হুমকি থেকে ৫ দিনের বিরতি ঘোষণা করেছিলেন।
সোমবার ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা খুব ভালোভাবেই চলছে। তবে ইরানি সংবাদমাধ্যম বলছে, যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে বর্তমানে কোনও আলোচনা চলছে না। ট্রাম্পের দাবি অস্বীকার করেছেন ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারাও।
ইতোমধ্যে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনির মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এবং প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে কথা বলেছেন। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ইসলামাবাদে দুই দেশের আলোচকরা বৈঠকে বসতে পারেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। সূত্র: আল জাজিরা, এএফপি।