কমিশনের একটি সূত্র জানায়, অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে কমিশন চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেবে। সরকারের হাতে যেহেতু সময় কম, তাই তা ঘোষণা দেওয়া হবে না। নির্বাচিত সরকারের কাছে তা হস্তান্তর করা হবে।
আর্থিক সংকট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসায় সরকারি কর্মচারীদের পে স্কেলের ঘোষণা থেকে সরে আসছে অন্তর্বর্তী সরকার। তবে এ জন্য গঠিত পে-কমিশনকে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে নতুন পে স্কেল ঘোষণা করতে না পারলেও একটি ফ্রেমওয়ার্ক প্রস্তুত করা হবে।সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) এ নিয়ে দীর্ঘ সভা করেছে পে-কমিশন।এতে সভাপতিত্ব করেন কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান।
কমিশনের একটি সূত্র জানায়, অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে কমিশন চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেবে। সরকারের হাতে যেহেতু সময় কম, তাই তা ঘোষণা দেওয়া হবে না। নির্বাচিত সরকারের কাছে তা হস্তান্তর করা হবে।
মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকারি কর্মচারীদের বেতন সমন্বয়ের লক্ষ্যে গত ২৭ জুলাই ২৩ সদস্যের ‘জাতীয় বেতন কমিশন, ২০২৫’ গঠন করা হয়। কমিশনের সভাপতি করা হয়েছে সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানকে। বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পর্যালোচনা করে সরকারের কাছে সুপারিশ দেওয়াই এ কমিশনের মূল কাজ। কর্মচারীর পরিবারের সদস্যসংখ্যা ছয়জন ধরে আর্থিক ব্যয়ের হিসাব করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রথম সভা থেকে শুরু করে আগামী ছয় মাসের মধ্যে সুপারিশ জমা দেবে কমিশন। গত মাসের ১৪ তারিখ প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সে হিসাবে ফেব্রুয়ারি মাসের ১৪ তারিখ এই কমিশনের মেয়াদ ৬ মাস পূর্ণ হবে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা হবে।