বিশৃঙ্খলা দূর করতে নির্বাচন প্রয়োজন মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র এই নেতা বলেন, ‘ছাত্ররা যদি কোনও নতুন রাজনৈতিক দল বানায় আমরা তাকে স্বাগতম জানাই। জনগণের কাছে আরও একটি চয়েজ বাড়লো। যে দিনই নির্বাচন হবে নিশ্চয়ই সব রাজনৈতিক দল সেখানে অংশগ্রহণ করবে।’
তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় আজ নানা ধরনের সংস্কারকে পূর্বশর্ত দেওয়া হচ্ছে। সংবিধান সংস্কারের কথা বলা হচ্ছে। একটি গ্রুপ বলেছে, ৭২ এর সংবিধান ছুড়ে ফেলা হবে। তারা ছুড়ে ফেলার কে? কোনও বুদ্ধিজীবী, সৌখিন রাজনীতিবিদ বা বিদেশ থেকে আগত কোনও কোনও বুদ্ধিজীবীর পরামর্শে বাংলাদেশের সংবিধান নতুন করে লেখা বা সংশোধন করা যাবে না। সংবিধান সংযোজন বা সংশোধনের একমাত্র অধিকার রাখে স্বাধীন পার্লামেন্ট।’
স্বাধীনতা ফোরামের সভাপতি আবু নাসের মুহাম্মদ রহমতুল্লাহর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও ছিলেন– বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, এডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান প্রমুখ।







