ইনিংসের চতুর্থ বলে উইল ইয়াংকে (৪) মোহাম্মদ রিজওয়ানের ক্যাচ বানান শাহীন শাহ আফ্রিদি। একটি চার মেরে ক্রিজ ছাড়েন নিউজিল্যান্ড ওপেনার। আরেক ওপেনার রাচিন রবীন্দ্র (২৫) ফিরতি ক্যাচ দিলেন আবরার আহমেদকে।
এরপর গ্লেন ফিলিপস তিনটি দারুণ জুটি গড়েন। তার সঙ্গে মিচেল ৬৫ রান তোলেন। ৮৪ বলে ২ চার ও ৪ ছয়ে ৮১ রানে আউট তিনি।ফিলিপসের সঙ্গে ৫৪ রান তুলতে ৩১ রান করে অবদান রাখেন মাইকেল ব্রেসওয়েল।
ফিল্ডিংয়ে বলের আঘাতে রক্তাক্ত রাচিন
ডেথ ওভারের শেষ দিকে ফিলিপসের ব্যাটে আগুন ঝরেছে। শেষ ২৬ বলে মিচেল স্যান্টনারকে নিয়ে ৭৬ রান যোগ করেন তিনি। ৫৫ বলে হাফ সেঞ্চুরি করার পর আর ১৭ বল খেলে তিন অঙ্কের ঘরে ফিলিপস। ৭২ বল খেলে ৫ চার ও ৭ ছয়ে প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি করেন তিনি। ৭৪ বলে ১০৬ রানে অপরাজিত ছিলেন, মেরেছেন আরেকটি চার।শাহীন পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন। দুটি গেছে আবরারের পকেটে।
লক্ষ্যে নেমে ফখর জামান একপ্রান্ত আগলে খেললেও টপ অর্ডারের অন্য কেউ সুবিধা করতে পারেননি। ওপেনিংয়ে নামা বাবর আজম পাওয়ার প্লের শেষ বলে দলীয় ৫২ রানে আউট হন মাত্র ১০ রান করে।
কামরান গুলামকে নিয়ে ফখর ৫১ রানের জুটি গড়েন। স্যান্টনারের দ্রুত দুই আঘাতে ছোটখাটো ধসে ১১৯ রানে ৪ উইকেট হারায় পাকিস্তান। ফখর ৬৯ বলে ৮৪ রানে থামেন ফিলিপসের বলে।এই ধাক্কা সামলে উঠতে পারেনি স্বাগতিকরা। যদিও আগা সালমানকে নিয়ে তৈয়ব তাহিরের ৫৩ রানের জুটি প্রতিরোধের আভাস দিয়েছিল।
ম্যাট হেনরির দারুণ বোলিংয়ে ৪৮তম ওভারের পঞ্চম বলে ২৫২ রানে থামতে হয় পাকিস্তানকে। হারিস রউফ অ্যাবসেন্ট হার্ট থাকায় নাসিম শাহ দশম ব্যাটার হিসেবে আউট হলে পাকিস্তানের হার নিশ্চিত হয়। ফিল্ডিংয়ের সময় সাইড স্ট্রেইনে মাঠ ছাড়েন হারিস, আর ব্যাট করতে নামেননি তিনি।স্যান্টনার উপরের দিকে, আর নিচে হেনরি আঘাত হানেন। দুজনেই তিনটি করে উইকেট নেন। দুটি পান ব্রেসওয়েল।










