দুদকের আবেদন নিয়ে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি টিউলিপ সিদ্দিককে গ্রেফতারে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ দেন একই আদালত। অবৈধ সুবিধা নিয়ে গুলশানে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের ফ্ল্যাট নেওয়ার অভিযোগে গত বছরের ১৫ এপ্রিল রিজওয়ানা সিদ্দিক, রাজউকের সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা শাহ মো. খসরুজ্জামান ও সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা-১ সরদার মোশারফ হোসেনের বিরুদ্ধে কমিশনের সহকারী পরিচালক মনিরুল ইসলাম মামলা করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোনও টাকা পরিশোধ না করেই অবৈধভাবে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের গুলশান-২ এর ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রি করেন। মামলার পর গত বছরের জুলাই মাসে আসামি শাহ খসরুজ্জামান মামলার তদন্ত স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট করেন। তার রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট খসরুজ্জামানের তদন্ত তিন মাসের জন্য স্থগিত করে। পরে চেম্বার আদালতে গেলেও দুদক নো অর্ডার আদেশ পায়। পরে তদন্ত শেষে গত ১১ ডিসেম্বর দণ্ডবিধির ১৬১/১৬৫(ক)/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারায় এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও সরদার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে গত ১৩ জানুয়ারি অভিযোগপত্র জমা দেন দুদকের সহকারী পরিচালক এ কে এম মর্তুজা আলী সাগর। উল্লেখ্য, এর আগে প্লট বরাদ্দে জালিয়াতির পৃথক তিন মামলায় দুই বছর করে ছয় বছরের কারাদণ্ড হয়েছে টিউলিপ সিদ্দিকের।







