সিগারেট বা তামাকজাত দ্রব্য শরীরের কতটা ক্ষতি করে, তা আর নতুন করে বলার কথা নয়। বিষয়টা শুধু এমন নয় যে, যিনি ধূমপান করছেন, ক্ষতিটা কেবল তাঁর। সিগারেটের ধোঁয়া আশপাশের মানুষজনের জন্যও সমান ক্ষতিকর। সে কারণেই প্যাসিভ স্মোকিং-কে এতটা বিপজ্জনক বলা হয়। এই ক্ষতিটা কিন্তু সবচেয়ে বেশি হয় শিশুদের ক্ষেত্রে। সাম্প্রতিক এক গবেষণাতেও তা বলা হয়েছে। বাবা যদি অতিরিক্ত ধূমপান করেন ও সন্তানের সামনেই সিগারেট খান, তা হলে শিশুর শুধু ফুসফুসের রোগ নয়, ডায়াবিটিসের ঝুঁকিও বাড়বে।
সিগারেটের ধোঁয়া হোক বা ধূমপায়ী বাবা-মায়ের থেকে আসা রাসায়নিক, শিশুর বৃদ্ধিতেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। আর ক্ষতি হতে পারে তাদের অপরিণত শ্বাসনালির। খেয়াল করে দেখবেন, শিশুরা খুব দ্রুত শ্বাসপ্রশ্বাস নেয়। ফলে, জ্বলন্ত সিগারেট বা বিড়ির ধোঁয়া খুব দ্রুত টেনে নিতে পারে তারা। এই ধোঁয়া শিশুর শ্বাসনালিতে ঢুকলে সেখানেই জমে থাকে। ধীরে ধীরে অকেজো করে দিতে থাকে ফুসফুসকে। ফলে, ছোট থেকেই সর্দি-কাশি, নিউমোনিয়া বা হাঁপানির টানও উঠতে পারে শিশুর। তাই সাবধান থাকতেই হবে অভিভাবকদের। গবেষকেরা জানাচ্ছেন, শিশু যেখানে রয়েছে, তার আশপাশে, বাড়ির ভিতরে, এমনকি বারান্দায় ধূমপান করাও শিশুর জন্য বিপজ্জনক হতে পারে।