আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে রাজশাহী কারা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ৬৩তম ব্যাচের কারারক্ষীদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে আইজি প্রিজন এসব কথা বলেন।
সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন বলেন, ‘কারা বিভাগ বাংলাদেশের একটি সুপ্রাচীন প্রতিষ্ঠান। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীন বাংলাদেশে জেলের যাত্রা শুরু হয়। যার ধারাবাহিকতায় বর্তমান সময়ে এসে বাংলাদেশ জেল একটি স্বচ্ছ ও সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে ওঠার চেষ্টা করছে। এর মূল লক্ষ্য হলো বন্দীদের সংশোধন করে আলোর পথ দেখানো।’
কারা মহাপরিদর্শক বলেন, ‘আজকের দিনটি তোমাদের প্রত্যেকের জীবনে একটি অবিস্মরণীয় দিন হয়ে থাকবে, কারণ, আজ তোমাদের ওপর অর্পিত হলো দেশের নানা ধরনের অপরাধীর দেখভালের এমন এক দায়িত্ব, যা সাধারণ নাগরিকেরা কখনো পর্যবেক্ষণের সুযোগ পায় না।’
এ সময় কারারক্ষীরা যাতে কোনোভাবে বিপথগামী না হয়ে সেবাগ্রহণকারীদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেন, সে জন্য তাঁদের সহযোগিতা করতে তিনি অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ জানান।
সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে ৬৮৭ জন কারারক্ষী অংশ নেন। এর মধ্যে সার্বিক বিষয়ে শ্রেষ্ঠ নবীন কারারক্ষী মো. তানভীন আহমেদ, ড্রিলে নবীন কারারক্ষী মো. রাকিব মিয়া, পিটিতে নবীন কারারক্ষী মো. বাপ্পি হোসেন এবং ফায়ারিংয়ে নবীন কারারক্ষী দ্বিপংকর দাস, অস্ত্রবিহীন যুদ্ধে মো. রনি হোসেন এবং একাডেমিক ক্ষেত্রে মো. রিয়ন ইসলাম রোকন শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী নগর পুলিশের কমিশনার মো. জিল্লুর রহমান, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ, অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক কর্নেল মো. তানভীর হোসেন এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) রাজশাহী সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল সৈয়দ কামাল হোসেন।