কোচ থাকাকালীন রবি শাস্ত্রী গর্ব করতেন ভারতীয় দলের জোরে বোলিং আক্রমণ নিয়ে। যশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ শামি, মহম্মদ সিরাজ, উমেশ যাদব, ইশান্ত শর্মাদের নিয়ে তৈরি ভারতের টেস্ট বোলিং আক্রমণকে সমীহ করত বিশ্বের সব দল। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, তখন ভারতের জোরে বোলিং আক্রমণই ছিল বিশ্বের সেরা। তিন বছর পর সেই বোলিং আক্রমণই ধুঁকছে। শিবরাত্রির সলতের মতো উজ্জ্বল শুধু বুমরা।
রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, ঋষভ পন্থ, শুভমন গিলদের ম্যাচের পর ম্যাচ ব্যর্থতার ধাক্কাও সামাল দিতে হচ্ছে তাঁকে। ব্যাটারেরা যত কম রান করছেন, বুমরার উপর তত চাপ বাড়ছে প্রতিপক্ষকে বেঁধে রাখার। কিন্তু তাঁর চেষ্টাকে মর্যাদা দিতে পারছেন সতীর্থেরাই। পারছেন না বোলারেরা। পারছেন না ব্যাটারেরা। সব মিলিয়ে মাত্রাতিরিক্ত মানসিক এবং শারীরিক চাপ পড়ছে বুমরার উপর। অস্ট্রেলিয়া সফরে দু’টি টেস্ট বাকি। অর্থাৎ আরও চাপ সামলাতে হবে বুমরাকে। তিনি পারলেও বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো দশা হতে পারে। বুমরা এক দিকে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখার চেষ্টা করছেন, অন্য দিকে বাকিরা সেই চাপ আলগা করে দিচ্ছেন। অথচ এই বুমরার নাম শুনেই একদা রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক কোহলি কটাক্ষের সুরে বলেছিলেন, কোনও বুমরা-ফুমরাকে দলে নিতে চান না। প্রথাগত ভাবে কখনও ক্রিকেট না শেখাই হয়তো তাঁর বিরুদ্ধে গিয়েছিল। বুমরা তখনও নিঃসঙ্গ ছিলেন। এখনও নিঃসঙ্গ!