তার ভাষ্য, সম্মতি বা অনুমতি নেওয়ার তোয়াক্কা না করেই চোখের পলকে তাকে সশরীরে কোলে তুলে নেন। আকস্মিক এই ঘটনায় সেখানে উপস্থিত সবাই স্তম্ভিত হয়ে যান। কিন্তু তাত্ক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি সামাল দিতে আনুশকা মুখে হাসি বজায় রেখে তাকে নামিয়ে দিতে বলেন এবং স্বাভাবিকভাবে অটোগ্রাফও দেন।

তবে বাইরে থেকে তিনি শান্ত থাকলেও মানসিকভাবে তীব্র অস্বস্তি ও যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে বলে জানান এই সেতারশিল্পী। তার কথায়, ওই ব্যক্তির উদ্দেশ্য হয়তো খারাপ ছিল না এবং অতি-উত্তেজনার বশেই তিনি এমনটা করেছিলেন; কিন্তু অনুমতি ছাড়া এভাবে কারো ব্যক্তিগত সীমা অতিক্রম করা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।
এই ঘটনার পর নিজের শৈশবের কিছু অস্বস্তিকর স্মৃতিও মনে পড়ে গেছে জানিয়ে সবাইকে নিজের সুরক্ষা ও সীমানা নিয়ে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছেন আনুশকা।







