এই আসনের নির্বাচন নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই ব্যাপক নাটকীয়তা চলছিল। গত ২১ এপ্রিল মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে জামায়াত জোটের মূল প্রার্থী মনিরা শারমিনের সরকারি ব্যাংকের অবসরের সময়সীমা নিয়ে জটিলতা তৈরি হলে বিকল্প হিসেবে নুসরাত তাবাসসুমের নাম সামনে আসে। সময়ের ১৯ মিনিট পরে জমা দেওয়ায় শুরুতে নুসরাতের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা হয়নি এবং পরবর্তীতে ২৩ এপ্রিল বাছাইয়ে মনিরা শারমিনের আবেদন বাতিল হয়ে যায়। এই অবস্থায় নুসরাত হাইকোর্টে রিট করলে আদালত তার মনোনয়নপত্র গ্রহণের নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশনায় গত ২ মে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয় এবং ৩ মে বৈধ প্রার্থীর তালিকায় নুসরাতের নাম প্রকাশ করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। তবে নুসরাত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলেও বিষয়টিতে এখনো একটি আইনি সমীকরণ বাকি আছে।
উল্লেখ্য যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে আসন সংখ্যার অনুপাতে বিএনপি জোটকে ৩৬টি, স্বতন্ত্র জোটকে একটি এবং জামায়াত জোটকে ১৩টি আসন বণ্টন করে দিয়েছিল ইসি। নুসরাতের আসনটি বাদে বাকি ৪৯টি আসনে প্রার্থীরা আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে শপথ গ্রহণ করেছেন।







