তাদের দাবিগুলো হলো আইন ও বিচার বিভাগের ৪৯ থেকে ৫১তম ব্যাচের ফলাফল পুনর্মূল্যায়ন, ভর্তি পরীক্ষায় আইন অনুষদের জন্য আগের মতো আলাদা ইউনিট করা এবং স্থায়ী ভবন বরাদ্দ করা।অনশন করা শিক্ষার্থীরা হলেন আইন ও বিচার বিভাগের ৫০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও বিভাগের ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান, ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মালিহা হাসান মাইশা ও একই ব্যাচের শিক্ষার্থী রফা রওনক। এদের মধ্যে রাফা রওনক সোমবার সন্ধ্যায় অসুস্থ হলে তাকে সাভারের বেসরকারি এনাম মেডিক্যালে নেওয়া হয়।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা দাবিগুলো নিয়ে আন্দোলন করে আসলেও প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্ব দেয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সর্বশেষ সভায় দাবিগুলো নিয়ে কোনও কার্যকর সিদ্ধান্ত না আসায় তারা (তিন শিক্ষার্থী) আমরণ অনশনে বসেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাসে কর্মসূচি থেকে সরে এসেছেন তারা।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, ‘আমরা তাদের সবগুলো দাবি মেনে নিয়েছি। অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল এবং সিন্ডিকেট মিটিংয়ে এই দাবিগুলো নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। একটা বিভাগের নিজস্ব কোনও রুম নাই এটা খুবই দুঃখজনক।’







