মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন

‘মাকে ঘরভাঙানি বলা হতো, অথচ কষ্ট পেয়েও বুঝতে দেননি’

বিনোদন ডেস্ক :
আপডেট : মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬

বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেত্রী শ্রীদেবীকে একসময় ‘ঘরভাঙানি’ তকমা দিয়ে নানা কটাক্ষ করত মানুষ। মায়ের জীবনের সেই সংগ্রামের দিনগুলো নিয়ে সম্প্রতি মুখ খুলেছেন বড় মেয়ে জাহ্নবী কাপুর। জানান, বাইরের মানুষ শ্রীদেবীর প্রতি অনেক সময় নিষ্ঠুর আচরণ করলেও সন্তানদের তিনি কখনো কোনো কষ্ট বুঝতে দেননি। 

মায়ের উদ্দেশে একটি কথা বলার সুযোগ থাকলে কী বলতেন— এমন প্রশ্নে জাহ্নবী বলেন, আমি এখন তাকে বুঝতে পারছি। আর আগে কেন তাকে বুঝতে পারিনি, সেজন্য আমি দুঃখিত। মা বিষয়গুলোকে সম্পূর্ণ ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে সামলেছেন; তা সে পেশাদার হোক কিংবা আর্থিক। আর আমি তা ছোটবেলায় বুঝিনি। তিনি চার বছর বয়স থেকে কাজ শুরু করেছিলেন, কিন্তু আমাদের কাছে নিজের লড়াই, খারাপ সময়ের কথা কখনো বলেননি; শুধু আনন্দের গল্পগুলোই শোনাতেন।

বনি কাপুরের সঙ্গে শ্রীদেবীর বিয়ের বিষয়টি তৎকালীন সময়ে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল। সত্তর দশকের শেষের দিকে একটি তামিল সিনেমায় শ্রীদেবীকে প্রথম দেখেন বনি। তখন বনি বিবাহিত ছিলেন, তার স্ত্রীর নাম ছিল মোনা কাপুর। তাদের ঘরে দুই সন্তানও ছিল।

মোনার সঙ্গে সংসার চলাকালীনই শ্রীদেবীর সঙ্গে বনির সম্পর্কের বিষয়টি জানাজানি হলে শুরু হয় সমালোচনা। বনি কাপুর তার প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়ে শ্রীদেবীকে বিয়ে করায় অনেকেই এই ভাঙনের জন্য অভিনেত্রীকে দায়ী করেন।

এদিকে, ফিল্মফেয়ারের এক সাক্ষাৎকারে বনি কাপুর জানিয়েছিলেন, শুরুতে তার ভালোবাসার প্রস্তাব শুনে শ্রীদেবী ক্ষুব্ধ হয়ে প্রায় আট মাস কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালের মুম্বাই বোমা হামলার সময় শ্রীদেবীকে নিজেদের বাড়িতে আশ্রয় দিয়েছিলেন বনি কাপুর। এরপর ১৯৯৫ সালে শ্রীদেবীর মা অসুস্থ হয়ে পড়লে বনি তার পাশে দাঁড়ান, যা তাদের সম্পর্ককে মজবুত করে। পরে ১৯৯৬ সালের জুনে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এবং জাহ্নবীর জন্মের সময় বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন। শ্রীদেবী ও বনি কাপুরের সংসারে জাহ্নবী ও খুশি নামে দুই কন্যা রয়েছে।  বর্তমানে জাহ্নবী বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় মুখ হলেও মায়ের শূন্যতা তাকে আজও পোড়ায়।


এই বিভাগের আরো খবর