ক্ষোভ প্রকাশ করে কঙ্গনা বলেন, ‘আমাদের দেশে এখনও ব্রিটিশ আমলের সেই ‘ড্রেস কোড’ চালু রয়েছে। শীত, গ্রীষ্ম কিংবা বর্ষা সব ঋতুতেই নার্সদের সেই একই ধরনের বিদেশি ধাঁচের ইউনিফর্ম পরে থাকতে হয়। এটি সম্পূর্ণ আমার ব্যক্তিগত মতামত হলেও, শুটিংয়ে আমরা অত্যন্ত সততা ও মর্যাদার সঙ্গে কাজটি ফুটিয়ে তুলেছি।’

তবে কেবল পোশাকই নয়, নার্সিং পেশাকে ঘিরে সমাজের সস্তা ও নোংরা মানসিকতা নিয়েও তীব্র প্রতিবাদ জানান এই অভিনেত্রী। কঙ্গনার দাবি, এই পবিত্র পেশাকে প্রায়ই অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণভাবে ‘যৌনতার’ সঙ্গে যুক্ত করে নানা মন্তব্য করা হয়। তিনি বলেন, ‘মানুষের এই ধরনের নিচু মানসিকতায় পরিবর্তন আসা উচিত। আমার মনে হয়, নার্সিং পেশাটিকে সমাজ সবচেয়ে বেশি যৌনতার দৃষ্টিতে দেখে থাকে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।’
চিকিৎসা খাতে পর্দার আড়ালে থাকা এই মানুষগুলোর অবদান মনে করিয়ে দিয়ে কঙ্গনা আরও বলেন, ‘হাসপাতালের কথা উঠলেই আমরা শুধু চিকিৎসকদের কথাই ভাবি। কিন্তু তাদের বাইরেও যে লক্ষ লক্ষ কর্মী প্রতিদিন পুরো চিকিৎসা ব্যবস্থাকে সচল রাখছেন, তাদের কথা আমাদের ভাবা উচিত। এই মানুষগুলোর কাজকে সহজ ও সম্মানজনক করতে আমাদের মানসিকতা বদলাতেই হবে।’







