নায়িকা তখন বাড়িতে সাজগোজ সারছিলেন। অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন, তাই। আচমকা দরজার ঘন্টিতে আওয়াজ। শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়! শুধুই উপস্থিতি? রীতিমতো শাসিয়েছেন, “বেশি দেখিস না! বিয়ে দিয়ে দেব। কেন্দে মরে যাবি।” শুনে ভয় পাওয়া দূর-অস্ত, প্রযোজক-পরিচালক-অভিনেতার পরের ছবির নায়িকা হেসেই খুন! তার পর কী হল? জানতে ফোন করেছিল আনন্দবাজার অনলাইন। শ্রাবন্তীর কথায়, “আমার সহকারী চিত্ত দরজা খুলে হতচকিত। তার পরেই হাঁক, ‘দিদি দেখুন, উইন্ডোজ় প্রযোজনা সংস্থার লোকেরা কেমন সেজে এসেছেন।’ তখনও শিবুদা সামনে আসেননি।’”
শীতের ছবির প্রচার যাতে পুজোর ছবির প্রচারকে ছাপিয়ে যায়, তার আগাম বায়নাও কি সেরে নিলেন শিবপ্রসাদের কাছে?