শেষ পর্যন্ত বিচ্ছেদ হয়েই গেলো মালাইকা আর অর্জুনের।। ৫০ বছর বয়সেও ঠিক যেনো তরুনী মালাইকা নিজের বয়স আর সৌন্দর্য্য ধরে রাখতে পারলেও স্বামী আর বয়ফ্রেন্ডকে ধরে রাখতে ব্যার্থ হয়েছেন তিনি। শোনা যায় সালমানের খানের বোন অর্পিতার সাথে সম্পর্ক ছিল অর্জুন কাপুরের, সেই সুবাদে সালমানের বাসায় যাওয়া আসা ছিল অর্জুনের, কিন্তু সেসময় অর্পিতার চেয়ে সালমানের খানের ছোট ভাই আরবাজ খানের স্ত্রী মালাইকাকেই বেশী ভালো লাগে তার, মালাইকারও নিজের চেয়ে ১২ বছরের ছোট অর্জুনকে ভালো লাগতে শুরু করে। শোনা যায় এ কারনেই আরবাজ আর মালাইকার ডিভোর্স হয়। তাদের ঘরে ২১ বছরের এক ছেলে সন্তানও রয়েছে। দীর্ঘ ১৮ বছর আরবাজের সাথে সংসার করতে পারলেও অর্জুনের সাথে ছয় বছরেই সম্পর্কের ইতি টানতে হয় মালাইকাকে।

দীর্ঘ ছয় বছর লিভ ইন করলেও অর্জুনকে বিয়ে অব্দি রাজি করাতে পারেননি মালাইকা, এর বড় কারন ছিল অর্জুনের পরিবার। অর্জুনের পরিবার কখনোই মালাইকাকে তাদের পরিবারের বউ হিসেবে মানতে পারেননি। বয়স সম্ভবত এখানে বড় বাধা ছিল।অপরদিকে অর্পিতা বিয়ে করেন আয়ু্ষ শর্মাকে, সুদর্শন আয়ুষ ততোটা সফল না হলেও অর্জুনের চেয়ে সফল বলা চলে। দুসন্তান নিয়ে সুখী পরিবার তাদের। আর আরবাজও তার নতুন স্ত্রী সুরা খানকে নিয়ে বেশ ভালো আছেন।
একে প্রকৃতির বিচার বলব নাকি অতি লোভের ফসল বলব জানিনা তবে সুন্দরী এবং বলা চলে যথেস্ট সফল মালাইকাকেও হার মানতে হলো নিজের পছন্দের মানুষকে একান্ত নিজের করে পাওয়ার জন্য। সৌন্দর্য আর সফলতা হয়তো আপনাকে অনেক আনন্দে রাখে জীবনকে পরিপূর্ন করে রাখে কিন্তু প্রকৃত সুখী হতে হলে আসলে ভাগ্যের দরকার হয়।
কপালে সুখ না থাকলে নাম যশ সম্পদ বা সৌন্দর্য্য কোনো কিছু দিয়েই তা কেনা যায়না। সুখী হতে কপাল লাগে, লাগে ভাগ্য।।