বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) ঢাকার মহানগর আদালত প্রাঙ্গণে এ কথা বলেন তিনি।ইশরাক হোসেন আরও বলেন, ‘মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। আমি ন্যায়বিচার পেয়েছি। আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের হয়ে ধানের শীষের মার্কা নিয়ে ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে অনুষ্ঠিত মেয়র পদে নির্বাচন করেছিলাম। পরবর্তীতে সারা বাংলাদেশ, জাতি দিনদুপুরে দেখেছেন ভোট ডাকাতি হয়েছে। প্রচারণার প্রথম থেকে আমরা অভিযোগ করে আসছিলাম, বিভিন্নভাবে আমাদের প্রচারণায় বাধাগ্রস্থ করা হচ্ছে। তখনকার বিএনপির কাউন্সিলর প্রার্থীদের বিনা মামলায় গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয়। আমাদের মিছিলের ওপর হামলা করা হয়। বহু নেতাকর্মীকে মেরে রক্তাক্ত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘মূল বিষয় হচ্ছে আমি ন্যায়বিচার পেয়েছি। বাংলাদেশে ন্যায়বিচার ফিরে আসুক। একজন সাধারণ নাগরিকও যেন ন্যায়বিচার পায়। ন্যায়বিচারের যে ধারাটা শুরু হয়েছে খুনি, স্বৈরাচার, ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতনের পর সেটির ধারা অব্যাহত থাকুক। সর্বস্তরে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে পারি এটাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য।’
আরেক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘অতীতে নুরু কমিশন, হুদা কমিশন এবং আউয়াল কমিশন ছিল। এই কমিশনে যারা সাংবিধানিক পোস্টে ছিল আমি মনে করি, যে অগণতান্ত্রিক ধারায় বাংলাদেশ ধ্বংস করার চক্রান্ত হয়েছিলো, ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম হয়েছিল। সাংবিধানিক পদে যারা ছিল তারা অবশ্যই তাদের দায়িত্ব এড়াতে পারে না। সাংবিধানিকভাবে তাদের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল। তারা কোনও চাপে না পড়ে এবং কোনও কিছুর বশবর্তী না হয়ে কাজ করবে, কিন্তু সেটিতে তারা ব্যর্থ হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু করা উচিত।
অনিয়ম, দুর্নীতি ও অগ্রহণযোগ্যতার অভিযোগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচন ও ফলাফল বাতিল চেয়ে ২০২০ সালের ৩ মার্চ মামলা করেছিলেন মেয়রপ্রার্থী ইশরাক হোসেন।







