রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন

ম্যাচ ফিক্সিং নিয়ে শচীন, দ্রাবিড়কে অস্বস্তিকর প্রশ্ন করেছিলেন সৌরভ

স্পোর্টস ডেস্ক :
আপডেট : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

১৯৯০ এর দশকের শেষ দিকে ও ২০০০ এর দশকের শুরুর দিকের কথা। ভারতীয় ক্রিকেট সন্দেহ, অবিশ্বাস ও বিশ্বাস ভাঙার সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছিল। ভক্তরাও আর ক্রিকেটকে আগের মতো করে দেখতে পারছিল না। প্রত্যেকটি বিস্ময়কর হার কিংবা অস্বাভাবিক মুহূর্ত তাদের মনের কোণে প্রশ্ন আর সন্দেহের বীজ বপণ করে চলেছিল।

সৌরভের দাবি, ক্রিকেটে এই ধরনের দুর্নীতির গভীরতা আসলে কতটুকু, তা বুঝতে পারেননি তিনি ওই সময়ে। কারণ তাকে কেউ সরাসরি এই ধরনের প্রস্তাব দেয়নি। আর অধিনায়ক হয়েই শচীন-রাহুল দ্রাবিড়ের মতো খেলোয়াড়কে এনিয়ে প্রশ্ন করা খুব অস্বস্তিকর ছিল তার জন্য।

সৌরভের কথা, “আমি অধিনায়ক হওয়ার ঠিক আগে ভারতীয় দল বেটিং, ম্যাচ ফিক্সিংয়ের মতো ঝামেলার সম্মুখীন হয়েছিল, আমি এসব ব্যাপারে কিছুই জানতাম না। আমি শচীন ও দ্রাবিড়কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, ‘এটা কি আসলেই হয়েছে?’ ‘কেউ কি তোমাদের প্রস্তাব দিয়েছে?’। কারণ কেউ আমাকে প্রস্তাব দিয়েছিল না। তাই আমি শচীনকে বললাম, ‘কেউ তোমাকে কিছু বলেছে?’ সে বলল, না। আমরা সবাই টেস্ট ও ওয়ানডে দুই ফরম্যাটেই খেলতাম। অনিলকেও জিজ্ঞাসা করেছিলাম, সেও বলল, ‘না, কেউ আমাকে কিছু বলেনি।’ তাই আমি নিশ্চিত ছিলাম না আসলে এটা কী ছিল। ওটা (অধিনায়কত্ব) তখন আমার হাতে ছিল। তাই আমার মনে ওই বিষয়গুলো ছিল না।”

ওই অন্ধকারাচ্ছন্ন সময়ে টিকে থাকার জন্য ভারতীয় ক্রিকেটে একজন শক্ত মানসিকতার কাউকে দরকার ছিল, সৌরভ ছিলেন সেই মানুষ। তিনি যোগ করলেন, ‘কোচিতে আমাদের প্রথম ম্যাচের কথা এখনও মনে আছে। খেলা শুরুর আগে টিম মিটিংয়ে কথা বলছিলাম। আমি ডোনাকে বলছিলাম, এদের অনেকে- আজহার, শচীন- আমার অধিনায়ক ছিল। কীভাবে আমি তাদেরকে বলি যে এটা করতে হবে এবং এটা করা যাবে না? আমি তাকে বলেছিলাম আলোচনা ছোট করতে হবে কারণ যত বড় হবে, ততই আমাকে বেশি কথা বলতে হবে। তাই ১৫ মিনিটের মধ্যে শেষ করলাম। দ্রুত কিছু সমাধান বের করলাম। পরের দিন আমরা জিতলাম। জামশেদপুরে পরের ম্যাচে আমি সেঞ্চুরি করলাম। ধীরে ধীরে সব আগের অবস্থায় ফিরে এলো।’


এই বিভাগের আরো খবর