বিবৃতিতে বলা হয়, আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া নিষেধাজ্ঞা এক রকম দ্বিধারী তলোয়ারের মতো। যাদের কাঁধে বন্দুক রেখে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, তারাই এর ভয়াবহ ধাক্কা টের পাবেন। তবে আমি আবারও মনে করিয়ে দিতে চাই, এসব নিষেধাজ্ঞাকে আমরা অবৈধ বলেই মনে করি।
পশ্চিমা নেতাদের ধারণা ছিল, এসব চাপের ফলে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন শান্তির পথে ফিরে আসবেন। তবে এসবে কোনও কাজ হয়নি। বরং দেখা গেছে, ২০২২ সালে রাশিয়ার অর্থনীতি সংকুচিত হলেও ২০২৩ এবং ২০২৪ সালে তা ইইউর চেয়ে বেশি হারে বেড়েছে।
ইউরোপীয় কমিশন চলতি মাসের ১০ তারিখে রাশিয়ার ব্যাংক, সামরিক এবং জ্বালানি খাতে আঘাত হানতে নতুন নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব দিয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত এসব নিষেধাজ্ঞা কঠোর করার বিষয়ে একটু সবুর করার নীতি অবলম্বন করছে।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁসহ ইউরোপীয় নেতারা বারবার বলেছেন, কঠোর নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে রাশিয়াকে যুদ্ধ শেষ করতে বাধ্য করা সম্ভব।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পেসকভ বলেন, শুধু বাস্তবসম্মত যৌক্তিক আলোচনার মাধ্যমেই রাশিয়ার সঙ্গে সমঝোতা প্রচেষ্টা সম্ভব।







