সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, শিল্প মালিকরা বাড়তি দামে হলেও গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ চাচ্ছে। সঙ্গত কারণে সরকার যদি গ্যাস দিতে না পারে তাহলে বিকল্প হিসেবে এলপিজির সংস্থান করা গেলে তা দিয়েও শিল্প কারখানা চলতে পারে।হাইড্রোকার্বন ইউনিট সূত্র বলছে, এখন যেমন গ্যাস দিয়ে শিল্প মালিকরা জেনারেটর চালিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে, ঠিক একইভাবে এলপিজি দিয়ে জেনারেটর চালিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে। বেসরকারি অনেক কোম্পানি এলপিজি সরবরাহ করে। এসব কোম্পানি সরাসারি শিল্পে এলপিজি সরবরাহ করবে। বর্তমানে সারা দেশে এলপিজি দিয়ে গাড়ি চালানো হচ্ছে।
হাইড্রোকার্বন ইউনিটের একজন কর্মকর্তা বলেন, আমরা শিল্পে এলপিজি ব্যবহারের নীতিমালার খসড়া শেষে অংশীজনের মতামত নিয়ে সরকারের কাছে জমা দিয়েছি। সরকার এটি চূড়ান্ত করবে। আশা করছি খুব দ্রুত নীতিমালাটি চূড়ান্ত হয়ে যাবে। বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ব্যবহৃত এলপিজির পরিমাণ ১৮ লাখ টন। এর মধ্যে ১৫ শতাংশ শিল্পে ব্যবহার হলেও এতদিন কোনও সরকারি নীতিমালা ছিল না। সরকারি নীতিমালা থাকলে এলপিজি আরও বেশি ব্যবহার করা সম্ভব। এতে করে প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর চাপ কমবে।







