মরসুম বদলের সময়ে জ্বর, সর্দি-কাশি বা পেটের গোলমাল লেগেই থাকে। এখন তাপমাত্রার পারদ কমছে। সেই সঙ্গে নানা জীবাণুবাহিত অসুখবিসুখও হানা দিচ্ছে। জ্বর, গলা ব্যথা, শুকনো কাশির পাশাপাশি ডায়রিয়াও ভোগাচ্ছে। সদ্যোজাত থেকে শুরু করে স্কুলপড়ুয়া, কিশোর-কিশোরী— সর্বত্র ছবিটা একই। চিকিসকেরা বলছেন, শিশুর জ্বর বা পেট খারাপ হলে অহেতুক ভয় পাবেন না। মুঠো মুঠো অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ালেই কিন্তু বিপদ বাড়বে। তার চেয়ে নিয়ম মেনে চলতে হবে।
চিকিৎসকের কথায়, কারও কারও ক্ষেত্রে জন্মগত কিছু কারণ যেমন দুধ, গমজাতীয় খাবারে অ্যালার্জি থাকলে তার থেকেও হয় ডায়রিয়া। তিনি আরও জানাচ্ছেন, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকলেও নানা রোগ হতে পারে। আবার কোনও খাবার থেকে সংক্রমণ হলেও ডায়রিয়া হয়। ডায়রিয়ার সঙ্গে জ্বর বা বমি হলে বুঝতে হবে যে, পেটে সংক্রমণ হয়েছে।
বাবা-মায়েরা কী কী নিয়ম মানবেন?
ওআরএস মেশানো জল খেতেই হবে। নুন-চিনির জল খাওয়াও ভাল।টি ব্যাগেও মাইক্রোপ্লাস্টিক? চায়ে মিশছে কোটি কোটি প্লাস্টিকের কণা, সতর্ক করলেন বিজ্ঞানীরা বাড়িতে রান্না তেলমশলা ছাড়া হালকা খাবার খাওয়ান শিশুকে। বাইরের খাবার, ঠান্ডা পানীয়, আইসক্রিম একেবারেই দেবেন না। কোনওরকম প্রক্রিয়াজাত খাবার বা প্যাকেটজাত খাবার দেবেন না। ডায়েটে বেশি করে মরসুমি সব্জি, ফল রাখতে হবে। টাটকা ফলের রস বাড়িতে বানিয়ে খাওয়াতে পারেন।
শিশুকে পর্যাপ্ত জল খাওয়াতে হবে। শরীরে জলশূন্যতা হলেই ঠিক মতো প্রস্রাব হবে না শিশুর মধ্যে আলস্য ভাব দেখা দেবে, বমি ভাব থাকবে, জিভ-ঠোঁট-গালের ভিতরের চামড়া শুকিয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দেবে।