কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন-সাবেক ভারত্তোলক ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সহকারী পরিচালক (ক্রীড়া) শাহরিয়া সুলতানা সূচি এবং শুটিং ফেডারেশনের সদস্য দাইয়ান নাফিস। শুটিং ফেডারেশনের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত সেখানে শুটিং ফেডারেশনের সদস্য আবার তদন্ত কমিটিতে থাকায় নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে খানিকটা প্রশ্ন উঠেছে। সাবেক জাতীয় শুটার ও কোচ শারমিন আক্তার রত্না এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনামূলক পোস্টও দিয়েছেন।
এমার অভিযোগটি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আমলে নিয়ে তদন্ত করেছে। দেশের অন্যতম সেরা নারী শুটার কামরুন নাহার কলিও জিএম হায়দার সাজ্জাদের উপর মানসিক নিপীড়নের অভিযোগ এনেছেন। এ নিয়ে তিনি উপদেষ্টা বরাবর চিঠিও দিয়েছেন। জিএম হায়দার সাজ্জাদকে নিয়ে শুটিং অঙ্গনে বিতর্ক রয়েছে অনেক। এজন্য শুটাররা তাকে অ্যাডহক কমিটিতে না রাখার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। ক্রীড়াঙ্গন সংস্কার ও ফেডারেশন পুর্নগঠনের জন্য গঠিত সার্চ কমিটি শুটিং ফেডারেশনে সাজ্জাদের নাম প্রস্তাব করেনি, এরপরও তিনি যুগ্ম সম্পাদক হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক আলেয়া ফেরদৌস হলেও ফেডারেশনের চালিকাশক্তি সাজ্জাদের হাতেই এমনটাই ধারণা শুটিং সংশ্লিষ্টদের।