শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘বাঙালি জাতি, বাংলাদেশের মানুষ যুদ্ধ করে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। তারা যা মনে করে, সেটি যদি না পায়, তারা কিন্তু কারো কাছে মাথা নত করে না। এ জাতির সঙ্গে প্রতারণা করে শেখ মুজিব টেকেনি, শেখ হাসিনা টেকেনি। আগামী দিনেও যদি কারো মাথার ভেতর এই প্রতারণার বিষয় থেকে থাকে, আমি তাদের অনুরোধ করবো— বাস্তবতায় আসুন। তাহলে বুঝতে পারবেন, কোন কাজটা আগে করতে হবে, কোন কাজটা জরুরি। এই জিনিসটা যদি আপনারা বুঝতে পারেন, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।’
তিনি বলেন, ‘সাংবাদিক ও মিডিয়া যেমন দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারো, ঠিক তেমনি দেশবিরোধী ভূমিকাও কখনও কখনও তারা পালন করে। এ দেশে সাংবাদিকদের যেমন দীর্ঘ ঐতিহ্য আছে আন্দোলন, সংগ্রাম, লড়াইয়ের, তেমনি কিছু কুলাঙ্গারও আছে। এখনও আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘চব্বিশের যে মহাপ্রলয়, মহা-পরিবর্তনে ছাত্রজনতার ভূমিকা, সেই ভূমিকা যেমন তুলে ধরতে হবে, তেমনি এটিও তুলে ধরতে হবে, গণতন্ত্র উত্তরণের জন্য আমাদের পথটা কি? গণতন্ত্র উত্তরণের একমাত্র পথ নির্বাচন। শেখ হাসিনা বাহানা করে নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে। সেই তথাকথিত নির্বাচনের প্রশাসক, পুলিশ, ইউএনও, ডিসি, নির্বাচন কমিশন ছিল আওয়ামী লীগের লোকজন। একমাত্র সাংবাদিকরাই নিজেদের অবস্থান থেকে যতটুকু পেরেছে সেটা জাতি, দেশ ও বিশ্বের সামনে তুলে ধরেছে। তারাও নির্যাতিত হয়েছে এই সত্য বলার কারণে। এই পথে এলে সত্যের পক্ষে কাজ করতে হবে।’
‘দৈনিক আমার পিরোজপুর’-এর সম্পাদক কে এম সাঈদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন ফারুক রহমান, বিএনপির নেত্রী অর্পণা রায়, কৃষক দল নেতা এস কে সাদী, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম প্রমুখ।







