অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে কারও ওপর কোনও কিছু চাপিয়ে দিয়ে কাজ আদায়ে আমরা বিশ্বাসী নই। সবার সহযোগিতামূলক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে। আলাপ-আলোচনা, পর্যালোচনা ও গবেষণার মাধ্যমে কী করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষা বিস্তারে অবদান রাখতে পারে— সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হবে।
সাক্ষাতের সময় এমডব্লিইইআরের আহ্বায়ক ফারুক আহমাদ আরিফ, যুগ্ম-আহ্বায়ক এনায়েত উল্লাহ কৌশিক, ইনফরমেশন অ্যান্ড টেকনোলজি অ্যাফেয়ার্সের সেক্রেটারি জীম মণ্ডল ও লোকাল গভর্নমেন্ট অ্যাফেয়ার্স সেক্রেটারি জাহিদ রাকিব উপস্থিত ছিলেন।
প্রস্তাবগুলো পড়ে ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, ‘এসব প্রস্তাব গবেষণালব্দ ও বাস্তবধর্মী। অনেকগুলো প্রস্তাব আমাদের হৃদয়ে স্পর্শ করেছে। আমরা এগুলো প্রত্যেক সদস্যের কাছে পাঠয়ে দিয়েছি। আমরা সবাই মিলে প্রস্তাবগুলো গভীরভাবে পর্যালোচনা করবো। বিশেষ করে অনেক প্রস্তাব আমাদের চিন্তার সঙ্গে সমন্বয় রয়েছে। উচ্চশিক্ষা খাতে প্রস্তাবগুলো গ্রহণ করার বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আমরা এগুলো আরও ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করবো। পরবর্তী সময়ে এমডব্লিইইআরসহ প্রত্যেক অংশীজনের সঙ্গে বৈঠক করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।







