সংবাদ পেয়ে দোয়ারাবাজার থানা পুলিশ আকাশ দাসকে ঘটনার দিন আটক করে এবং সেই সময় স্থানীয়রা আকাশ দাসকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়ার জন্য চেষ্টা করে। পরে নিরাপত্তার স্বার্থে তাকে দোয়ারাবাজার থানায় না নিয়ে সদর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ওইদিন জনতা হিন্দু সম্প্রদায়ের বসতবাড়ি, দোকানপাট ও স্থানীয় লোকনাথ মন্দির ভাঙচুর ও ক্ষতিসাধন করে। জেলার এসপি, ডিসি, সেনাবাহিনী ও পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। উক্ত ঘটনার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ নিবিড়ভাবে তদন্ত করে।
পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত আসামিদের শনাক্ত করে আজ (১৪ ডিসেম্বর) বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১৫০-১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। পুলিশ এই ঘটনায় আলীম হোসেন (১৯), সুলতান আহম্মেদ রাজু (২০), ইমরান হোসেন (৩১) ও শাজাহান হোসেনকে (২০) গ্রেপ্তার করে।