যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতার প্রস্তাবের আলোকে যদি কোনও তৃতীয় স্থানে সংলাপের সম্ভাবনা থাকে—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী চীনকে নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেন। বলেন, ভারত কখনোই তাতে রাজি হবে না।
তবে প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, সৌদি আরব এমন একটি তৃতীয় দেশ হতে পারে, যেখানে উভয় পক্ষ আলোচনা করতে রাজি হতে পারে।
ভারত সংলাপে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে আলোচনা করতে চায়, আর পাকিস্তান চায় কাশ্মীরকে প্রাধান্য দিতে। এমন বিষয় নিয়ে শাহবাজ শরিফ আবারও জোর দিয়ে বলেন, ‘কাশ্মীর, পানি, বাণিজ্য ও সন্ত্রাসবাদ—এই চারটি বিষয়ই পাকিস্তান-ভারত সংলাপের মূল পয়েন্ট হবে।’
পিটিআই নেতৃত্বাধীন খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি) সরকার সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কেন্দ্র থেকে সহযোগিতা পাচ্ছে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্র ইতোমধ্যেই সহায়তা দিচ্ছে এবং পাবলিক সেক্টর ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের (পিএসডিপি) অধীনে কেপি সরকারকে ৬০০ বিলিয়ন রুপি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে উত্তেজনা কমছে, কারণ উভয় দেশের ডিজিএমও (সামরিক কার্যক্রমের মহাপরিচালক) একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন।
তিনি জানান, যদি দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের মধ্যে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা নেতৃত্ব দেবেন।







