এরপর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীরা গ্রাফিতি সরিয়ে নেওয়ার প্রতিবাদ জানিয়ে এনসিটিবি ভবনের সামনে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে গেলে সেখানে আগে থেকেই কর্মসূচি দিয়ে অবস্থান করে তারা। বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম্পে পতাকা বেঁধে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে। এরপর থেকেই নেতিবাচক আলোচনায় রয়েছে সংগঠনটি।
এমন পরিস্থিতিতে নানান মহলে প্রশ্ন উঠেছে, নতুন এই সংগঠনটি আসলে কারা? তাদের সংগঠনের উদ্দেশ্যই বা কী?
এ বিষয়ে সংগঠনটির আহ্বায়ক মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেন, আমরা ২৮ ও ২৯ আগস্টের দিকে সংগঠনের আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ করি। এই আগস্টে প্রকাশ করলেও আমরা গত পাঁচ বছর ধরে বিভিন্ন পরিসরে কাজ করে আসছি। বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আমরা বিভিন্ন পর্যায়ে কথা বলেছি।
সংগঠন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টি’ আত্মপ্রকাশের কারণ হলো- অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর পার্বত্য চট্টগ্রামে যারা বিচ্ছিন্নতাবাদী আছে তারা সেখানে ব্যাপকভাবে সহিংসতার ঘটনা ঘটাতে শুরু করে। আপনারা সে সময়ের পত্রিকায় দেখতে পাবেন সেগুলো। সেখানে ছিল একটি উগ্রবাদী হিন্দু গ্রুপ ও উগ্রবাদী উপজাতি গ্রুপ। এমনকি আমাদের একজন উপদেষ্টাও আদিবাসী শব্দটি উচ্চারণ করেছেন। সেসব বিষয়ে আমরা আগে থেকেই সচেতন ছিলাম। তখন আমরা চিন্তা করলাম এই বিচ্ছিন্নতাবাদী শব্দের বিরোধিতা করা দরকার, সে চিন্তা থেকেই আমরা সাংগঠনিকভাবে আত্মপ্রকাশ করি।
আদিবাসী স্বীকৃতি দিলে পার্বত্য চট্টগ্রামের সার্বভৌমত্ব হুমকি মুখে পড়বে বলে দাবি করে তিনি বলেন, এই শব্দটি আমাদের সার্বভৌমত্বের বিরোধী। এটির স্বীকৃতি দিলে পার্বত্য চট্টগ্রাম কোনও সময় আমাদের হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে। আমাদের উদ্দেশ্যই হলো সার্বভৌমত্ব সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করা।







