বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। এর আগে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী হুঁশিয়ারি দিয়েছিল যে, মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকলে তারা এই অঞ্চল দিয়ে ‘এক ফোঁটা তেলও’ যেতে দেবে না।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক বাণিজ্যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইটের একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ঘিরে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়ে। রাইট দাবি করেছিলেন, মার্কিন নৌবাহিনী একটি তেলবাহী জাহাজকে নিয়ে সফলভাবে প্রণালি অতিক্রম করেছে। এই খবরের পর বাজারে তেলের দাম সাময়িকভাবে কমলেও পরে ট্রাম্প প্রশাসন ও পেন্টাগন সেই দাবি অস্বীকার করে। ইরানের বিপ্লবী গার্ডও এমন কোনও ঘটনা ঘটেনি বলে নিশ্চিত করেছে। পরে ক্রিস রাইটের সেই পোস্টটি মুছে ফেলা হয়েছে।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর শীর্ষ জেনারেল ড্যান কেইন জানিয়েছেন, প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিরাপদ করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ বিবেচনা করা হচ্ছে। অন্যদিকে পেন্টাগন প্রধান পিট হেগসেথ কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি তেল পরিবহনে বাধা দেয়, তবে তাদের ওপর আরও কঠোর হামলা চালানো হবে।







