আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘হাদীকে যারা হত্যা করেছে তাদের অবিলম্বে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করতে হবে। যদি না করা হয়, তবে কোনোভাবেই লড়াই থামাবে না স্বাধীনতাকামী জনগণ। আমাদের লড়াই আরও কঠোর থেকে কঠোরতর হবে।’
সাবেক এই উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে টিকিয়ে রাখতে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক যে লড়াই ওসমান হাদি চালিয়ে যাচ্ছিলেন, সেই লড়াইয়ে দুর্বৃত্তায়ন কিংবা কোনো ধরনের হানাহানি বা সুবিধাভোগী গোষ্ঠীর স্থান নেই। হাদি অত্যন্ত নিয়মতান্ত্রিকভাবে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তার এই লড়াইকে গঠনমূলক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আমাদের এগিয়ে নিতে হবে।
উল্লেখ্য, ঢাকা-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী প্রচার চালিয়েছিলেন ওসমান হাদি। গত ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের পর ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে সন্ত্রাসীদের গুলিতে তিনি গুরুতর আহত হন। প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৫ ডিসেম্বর তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।
সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) তার মৃত্যু হয়।