বাংলাদেশের পরিস্থিতি ক্রমে উত্তপ্ত হচ্ছে। সোমবার সে দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জুলাই গণহত্যা মামলায় রায় ঘোষণা করা হবে। রায় শোনাবে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তবে তার আগে দফায় দফায় অশান্তির খবর আসছে। ঢাকা-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গাড়ি, বাস, সরকারি প্রতিষ্ঠানের সামনে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠছে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে। এমনকি, অ্যাম্বুল্যান্সেও ককটেল হামলার খবর মিলেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রবিবার সন্ধ্যায় দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা পুলিশ। বলা হয়েছে, কোথাও কাউকে মানুষ, গাড়ি বা পুলিশের উপর অগ্নিসংযোগ বা ককটেল ছুড়তে দেখলেই গুলি করতে হবে। কিন্তু তার পরেও একাধিক জায়গা থেকে এই ধরনের হামলার খবর এসেছে।
বাংলাদেশে এখন হাসিনার দল আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ। কিন্তু রবিবার রাতেও আওয়ামী লীগের সমর্থকেরা ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে মশালমিছিল করেছেন। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো জানিয়েছে, এই মিছিলের ফলে প্রায় ২০ মিনিট রাস্তায় যান চলাচলে ব্যাঘাত ঘটেছে। গত ১০ নভেম্বর থেকে হাসিনার মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে যে ধরনের অশান্তির ঘটনা ঘটেছে, তার নেপথ্যে আওয়ামী লীগের ‘দুষ্কৃতী’রাই রয়েছে বলে দাবি পুলিশের
ঢাকার তিতুমীর কলেজের সামনে এবং আমতলী মোড় এলাকায় ককটেল হামলার ঘটনা ঘটেছে রবিবার গভীর রাতে। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে জলের ট্যাঙ্কের কাছে একটি বাসেও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার আগে সেন্ট্রাল রোডে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের বাড়ির সামনের রাস্তায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। বিক্ষিপ্ত ভাবে বিভিন্ন ঘটনায় বেশ কয়েক জন জখম হয়েছেন।